Md Rokon Islam

rokon
Aliquam maecenas ultricies mi eget mauris lobortis scelerisque fermentum dui faucibus. Luctus venenatis magna fringilla urna dolor tempus et magna rhoncus.
২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশ রাজনৈতিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে বড় ধরনের 'লং মার্চ' অনুষ্ঠিত হচ্ছে। জামায়াত-ই-ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় বিরোধী জোট কর্তৃক আয়োজিত এই লং মার্চ কর্মসূচিগুলোর তথ্য নিচে তুলে ধরা হলো:১. ঢাকা-রংপুর লং মার্চ* তারিখ: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬।
* যাত্রা শুরু: ঢাকা মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ।
* গন্তব্য ও রুট: ঢাকা থেকে রওনা হয়ে গাজীপুরের ভোগড়া বাইপাস, টাঙ্গাইলের নগর জলপাই, সিরাজগঞ্জের হটিকুমরুল, বগুড়ার চারমাথা এবং গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে পথসভা করে রংপুর জিলা স্কুলে সমাপনী সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
* মূল দাবি: ৮ দফা দাবি বাস্তবায়নে এ লং মার্চ আয়োজন করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে— তিস্তা মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়ন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমানো, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজি বন্ধ, শক্তি ও সার সংকটের সমাধান এবং জুলাই ২০২৪-এর গণহত্যার বিচার।---২. ঢাকা-চট্টগ্রাম লং মার্চ* তারিখ: ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬।
* যাত্রা শুরু: ঢাকার শাপলা চত্বর।
* গন্তব্য ও রুট: নারায়ণগঞ্জ (মদনপুর), কুমিল্লা (পাদুয়ার বাজার) এবং চট্টগ্রাম (মিরসরাই) হয়ে চট্টগ্রাম শহর।
* মূল দাবি: দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও গণতন্ত্র সুসংহত করতে ৬ দফা দাবিতে এই প্রথম লং মার্চটি পালন করা হয়।---এছাড়াও ১৫ জুলাই ২০২৬-এ এইচএসসি পরীক্ষার্থী শিক্ষার্থীরা শিক্ষার পরিবেশ ও বিভিন্ন অব্যবস্থাপনার প্রতিবাদে সাইন্স ল্যাব থেকে সচিবালয় অভিমুখে একটি লং মার্চ পালন করে, যা শিক্ষাভবনের সামনে পুলিশি ব্যারিকেডে আটকে দেওয়া হয়েছিল।
ইতিহাসের বিখ্যাত 'লং মার্চ' (Long March) চীনের কমিউনিস্ট পার্টির টিকে থাকা এবং পরবর্তীকালে ক্ষমতায় আসার পেছনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। ১৯৩৪ থেকে ১৯৩৫ সালের মধ্যে ঘটে যাওয়া এই ঐতিহাসিক অভিযান সম্পর্কে সংক্ষেপে মূল বিষয়গুলো নিচে তুলে ধরা হলো:মূল বিষয়াবলি* পটভূমি: ১৯৩৪ সালে চীনের জাতীয়তাবাদী দল (কুওমিনতাং) নেতা চিয়াং কাই-শেক কমিউনিস্টদের ঘিরে ফেলে ধ্বংস করার সিদ্ধান্ত নেন। এই অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে বাঁচতেই কমিউনিস্টরা একটি কৌশলগত পশ্চাদপসরণের সিদ্ধান্ত নেয়, যা 'লং মার্চ' নামে পরিচিত।
* দূরত্ব ও সময়: ১৯৩৪ সালের অক্টোবর থেকে ১৯৩৫ সালের অক্টোবর পর্যন্ত দীর্ঘ এক বছর ধরে এই পদযাত্রা চলে। মাও সে তুং-এর নেতৃত্বে রেড আর্মি প্রায় ৬,০০০ মাইল (৯,০০০ কিলোমিটারের বেশি) পথ পায়ে হেঁটে অতিক্রম করে।
* কঠিন পথ ও ত্যাগ: দুর্গম পাহাড়, বরফাবৃত অঞ্চল, জলাভূমি এবং তীব্র নদী পার হওয়ার পাশাপাশি শত্রুপক্ষের ক্রমাগত আক্রমণ সহ্য করতে হয়েছিল। প্রায় ৮০০০০-১০০০০০ সেনা নিয়ে এই পদযাত্রা শুরু হলেও শেষ পর্যন্ত মাত্র ৭,০০০ থেকে ১০,০০০ জন জীবিত শেনসি (Shaanxi) প্রদেশে পৌঁছাতে সক্ষম হন।---লং মার্চের ঐতিহাসিক গুরুত্ব* মাও সে তুং-এর নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা: এই দূরহ যাত্রার পথেই 'জুনই কনফারেন্স'-এ মাও সে তুং নিজেকে কমিউনিস্ট পার্টির একক ও মূল নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন।
* জনগণের সমর্থন অর্জন: দীর্ঘ পথ অতিক্রম করার সময় রেড আর্মি কৃষক ও সাধারণ মানুষের সাথে ভালো ব্যবহার করে, যা তাদের বিশাল জনসমর্থন এনে দেয়।
* ১৯৪৯-এর রাজনৈতিক বিপ্লব: লং মার্চে টিকে যাওয়া এই অভিজ্ঞ ও আত্মত্যাগী নেতাদের ওপর ভিত্তি করেই ১৯৪৯ সালে গণচীন (People's Republic of China) প্রতিষ্ঠিত হয়।আপনি কি লং মার্চের কোনো নির্দিষ্ট অংশ (যেমন: মাও সে তুং-এর কৌশল, নির্দিষ্ট কোনো যুদ্ধ, বা এর রাজনৈতিক প্রভাব) সম্পর্কে আরও গভীরে জানতে চান?
My personal portfolio website